পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বাধীন নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রাজ্য বাজেট (পশ্চিমবঙ্গ বাজেট ২০২৬-২৭) পেশ হলো। গত ২২ জুন, ২০২৬ তারিখে রাজ্য বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের এই মেগা বাজেট পেশ করেন রাজ্যের নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। ২৩ জুন বাজেট-উত্তর পর্যালোচনায় স্পষ্ট হয়েছে যে, এই বাজেট মূলত সামাজিক সুরক্ষা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের মেলবন্ধন ঘটাতে চাইছে। পূর্বতন সরকারের জমানার বিপুল ঋণভার কাঁধে নিয়েও নতুন সরকার ৪,৩৮,৭৭৫.২৯ কোটি টাকার (নিট) একটি বিশাল বাজেট বরাদ্দ পেশ করেছে, যা বিগত অন্তর্বর্তী বাজেটের তুলনায় ৮.৩ শতাংশ বেশি।
বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, “পূর্বতন সরকারের থেকে আমরা ৮.১৬ লক্ষ কোটি টাকার এক বিশাল ‘উত্তরাধিকার ঋণ’ (Legacy Debt) পেয়েছি। ফলে এখন থেকে প্রতিটি টাকা খরচের আগে তার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখা হবে।” ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের তকমা ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় অনুদান ২২,০৬৯ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭১,৩৯৩.১৯ কোটি টাকা আদায় করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে এই বাজেটে।
🚀 এক নজরে পুরো তথ্য
এক নজরে পশ্চিমবঙ্গ বাজেট ২০২৬-২৭: প্রধান আর্থিক পরিসংখ্যান
রাজ্যের সার্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে কোন ক্ষেত্রে কত টাকা বরাদ্দ করা হলো, তা নিচে একটি তুলনামূলক সারণির মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:
| বিভাগ / ক্ষেত্র | মোট বরাদ্দ (কোটি টাকায়) | বিশেষ গুরুত্ব ও ফোকাস এরিয়া |
|---|---|---|
| পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন | ৫১,৮৩৬.৫৫ | ২৫ লক্ষ নতুন PMAY-G বাড়ি (১৩,০০০ কোটি টাকা) ও ১০০ দিনের কাজ ১২৫ দিনে উন্নীতকরণ। |
| মহিলা ও শিশুকল্যাণ বিভাগ | ৫২,৩০৮.০০ | অন্নপূর্ণা যোজনা (৩৬,০০০ কোটি টাকা) এবং মহিলাদের জন্য নিখরচায় বাস পরিষেবা। |
| বিদ্যালয় শিক্ষা বিভাগ | ৪৪,৯৪৮.২১ | শিক্ষক নিয়োগ, পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি ও পরিকাঠামো উন্নয়ন। |
| কৃষি ও কৃষক কল্যাণ | ৮,৫৬৫.৮৪ | PM-KISAN-এর ওপর অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা এবং সেচের পাম্পে বিদ্যুৎ ভর্তুকি। |
| শিল্প ও বাণিজ্য | ৩,২৬৬.৫৯ | দুর্গাপুরে সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট, শিলিগুড়িতে আইটি পার্ক এবং বিনিয়োগ নীতি সংস্কার। |
সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা: ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বাজেটে বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে এই বর্ধিত ডিএ চালু হবে।
- নতুন ডিএ-র হার: এই ২০ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে রাজ্যে মোট মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৮ শতাংশে।
বাজেট পেশের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গ সরকার-এর এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করে বলেন, “কেন্দ্রের হারের সাথে আমাদের এখনো ২২ শতাংশের একটি ফারাক থেকে যাচ্ছে। তবে আমাদের সরকারকে কিছুটা সময় দিন, আমরা এই ২২ শতাংশের ডিএ ঘাটতি পূরণ করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এর পাশাপাশি পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকা, আশা (ASHA) ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বেতন ৫,০০০ টাকা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার্স ও গ্রিন পুলিশের ভাতা আগস্ট ২০২৬ থেকে ২,০০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে।
কর্মসংস্থানের নতুন রূপরেখা: ১ লক্ষ সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারি চাকরি ২০২৬-এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা যুবসমাজের জন্য বাজেটে বড় কর্মসংস্থানের রোডম্যাপ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ধাপে ধাপে মোট ১,০০,০০০ (১ লক্ষ) শূন্যপদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।
নিয়োগের এই খতিয়ান মূলত তিনটি বড় ভাগে বিভক্ত: ১. শিক্ষা দপ্তর: ৫০,০০০ শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ করা হবে স্কুল এবং কলেজ স্তরে। ২. পুলিশ প্রশাসন: ২০,০০০ পুলিশ কর্মী নিয়োগ করা হবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা মজবুত করতে। ৩. বিশেষ বাহিনী ও অন্যান্য: ১,০০০ ইএফআর (Eastern Frontier Rifles) কর্মীসহ অন্যান্য দপ্তরে বাকি শূন্যপদ পূরণ করা হবে।
সংরক্ষণ নীতি: এই ১ লক্ষ চাকরির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক সামাজিক ভারসাম্য আনার চেষ্টা করা হয়েছে। মোট পদের ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প থেকে ফেরত আসা ‘অগ্নিবীর’-দের জন্য রাজ্য সরকারি চাকরিতে ১০ শতাংশ কোটার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সাথে সরকারি চাকরিতে আবেদনের ঊর্ধ্বসীমার ৫ বছরের ছাড় আরও আগামী ২ বছরের জন্য বজায় থাকবে।
নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা: ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’
পূর্বতন সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পকে প্রতিস্থাপন করে সুভেন্দু অধিকারীর সরকার নিয়ে এসেছে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মেগা স্কিম অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ। নারী কল্যাণের জন্য বরাদ্দ মোট ৫২,৩০৮ কোটি টাকার সিংহভাগই এই প্রকল্পের পেছনে খরচ করা হবে।
- আর্থিক অনুদান: ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী রাজ্যের সমস্ত যোগ্য মহিলাকে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ৩৬,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে নতুন সরকার।
- নিখরচায় বাস যাত্রা: মহিলাদের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করতে বাজেটে ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর অধীনে খুব শীঘ্রই একটি ‘পিঙ্ক কার্ড’ (Pink Card) ব্যবস্থা চালু হবে, যার মাধ্যমে মহিলারা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন।
আরও পড়ুন – Annapurna Bhandar Yojana, প্রতি মাসে ₹৩,০০০ টাকা পাবেন, জানুন বিস্তারিত।
যুবসমাজের জন্য ‘ভরসা কর্মসূচি’ এবং শিক্ষার্থীদের অনুদান
শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়াতে সরকার চালু করেছে ‘ভরসা কর্মসূচি’। যে সমস্ত পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম এবং যারা অন্য কোনো সরকারি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা পান না, তারা এই ভাতার আওতাভুক্ত হবেন।
- স্নাতক উত্তীর্ণ বেকার: ২১ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বেকার গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা বেকার ভাতা দেওয়া হবে।
- অন্যান্য যোগ্য বেকার যুব: শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে বাকিদের জন্য প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা ভাতার ব্যবস্থা থাকছে।
উচ্চশিক্ষায় ছাত্রীদের বিশেষ অনুদান: উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রীদের স্কুল-ছুট হওয়ার প্রবণতা কমাতে এবং কলেজ স্তরে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকার এককালীন ৫০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছে। স্নাতক স্তরে (Undergraduate) ভর্তির সময় অবিবাহিত ছাত্রীরা এই সুবিধা পাবেন।
পরিকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন: নতুন বিমানবন্দর ও মেট্রো প্রকল্প
কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীচাপ কমাতে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিকে গতি দিতে উত্তর ২৪ পরগনার কল্যাণী-র কাছে প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০- একর জমিতে একটি নতুন গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর (Kalyani Greenfield Airport) তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
পাশাপাশি, কেন্দ্রের ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের সাথে হাত মিলিয়ে পুরুলিয়া, বালুরঘাট এবং মালদায় নতুন বিমানবন্দর গড়ে তোলা হবে এবং কোচবিহার বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ করা হবে। কলকাতা শহরের ট্রাফিক জট এড়াতে চিংড়িঘাটা থেকে নিউ টাউন পর্যন্ত ৭.৪১ কিমি দীর্ঘ একটি এলিভেটেড করিডোর নির্মাণের জন্য ৯০০ কোটি টাকা এবং ভাগীরথী নদীর ওপর বড় সেতুর জন্য ১,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপাত্রবাড়ে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর (Deep-sea Port) তৈরির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া উত্তর ও শিল্পাঞ্চলের জেলাগুলির যোগাযোগ সুগম করতে দুর্গাপুর, আসানসোল, শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়িতে মেট্রো রেলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সমীক্ষা (Metro Survey) শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা পরিকাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন এনে সেখানে একটি নতুন আইআইটি (IIT), আইআইএম (IIM), এইমস (AIIMS) এবং ক্যানসার হাসপাতাল গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রামে তৈরি হবে একটি ট্রাইবাল ইউনিভার্সিটি।
প্রশাসনিক সংস্কার: ৫টি নতুন জেলা ও মদের দোকানে কড়াকড়ি
প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পরিষেবা পৌঁছে দিতে পশ্চিমবঙ্গকে আরও টুকরো করে ৫টি নতুন জেলা গঠনের ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন জেলাগুলি হলো— কলকাতা (প্রশাসনিক পুনর্গঠন), বসিরহাট, সুন্দরবন, জঙ্গিপুর এবং আরামবাগ।
সামাজিক পরিবেশ রক্ষা এবং বিশেষত ছাত্র সমাজ ও রোগীদের স্বার্থে আবগারি নীতিতে বড়সড় রদবদল আনা হয়েছে স্বপন দাশগুপ্ত বাজেট ২০২৬-এ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী:
- রাজ্যের যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থান এবং হাসপাতালের ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো নতুন মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।
- তবে কলকাতার ভৌগোলিক ঘনত্বের কথা মাথায় রেখে কলকাতার ক্ষেত্রে এই দূরত্বের সীমা ৫০০ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।
আর্থিক চ্যালেঞ্জ ও ঋণসংকট: অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য
বাজেটের আকর্ষণীয় সামাজিক প্রকল্পগুলির আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিশাল রাজকোষীয় ঘাটতি ও ধারের অঙ্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক অর্থনীতিবিদ। ৮.১৬ লক্ষ কোটি টাকার উত্তরাধিকার ঋণের ওপর দাঁড়িয়েও এই অর্থবর্ষে সরকারকে বাজার থেকে আরও ৮০,৪৪৪.৫৫ কোটি টাকা ঋণ নিতে হবে, যা রাজ্যের মোট ঋণকে প্রায় ৯ লক্ষ কোটি টাকার কাছাকাছি নিয়ে যাবে।
তবে অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, রাজকোষীয় সংস্কারের কাজ সঠিক পথেই এগোচ্ছে। গত বছরের ৪১,১৬৪ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি কমিয়ে এই অর্থবর্ষে ২১,৯৮৪ কোটি টাকায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে, যা জিএসডিপির (GSDP) ১.০২ শতাংশ। রাজস্ব ব্যয় যুক্তিসঙ্গত করা এবং কেন্দ্রের বকেয়া তহবিল আনলক করার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের বিপর্যস্ত জনস্বার্থের অর্থনীতিকে একটি টেকসই গাণিতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে বলে দাবি করেছে নতুন সরকার।
উপসংহার
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের এই বাজেটটিকে একাধারে কল্যাণমুখী এবং পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক এক মিশ্র প্রয়াস বলা চলে। একদিকে বিপুল ঋণভার সামলানো এবং অন্যদিকে ডিএ বৃদ্ধি, ১ লক্ষ চাকরি ও অন্নপূর্ণা যোজনার মতো বিপুল খরচের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা— এই দুইয়ের ভারসাম্য রক্ষা করাই হবে সুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কেন্দ্রের সহায়তায় রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ কতটা টানা যায় এবং এই প্রতিশ্রুত প্রকল্পগুলি কত দ্রুত মাটিতে বাস্তবায়িত হয়, তার ওপরেই নির্ভর করছে ‘বিকশিত বাংলা’র ভবিষ্যৎ।









