প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা ২০২৬ এই প্রকল্পটি সম্পর্কে না জানলে,এই প্রতিবেদনটি ভালকরে পড়ুন। আজকের দিনে পড়াশোনা শেষ করে একটা ভালো চাকরি খুঁজে পাওয়া আর সেখানে থিতু হওয়া কতটা কঠিন, তা আমরা সবাই জানি। প্রথমবার যখন কেউ কর্মজীবনে পা রাখে, তখন শুরুর দিনগুলো বেশ অনিশ্চয়তায় কাটে। ঠিক এই জায়গাতেই দেশের তরুণদের পাশে দাঁড়াতে কেন্দ্র সরকার নিয়ে এসেছে একটি দুর্দান্ত উদ্যোগ— প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা (PM-VBRY)। আপনি যদি সম্প্রতি একটি নতুন চাকরিতে যোগ দিয়ে থাকেন কিংবা আপনার কোনো ব্যবসা থাকে যেখানে নতুন কর্মী নিয়োগ করছেন, তবে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন চাকরিজীবীদের যেমন সরাসরি টাকা দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে, তেমনই নিয়োগকারী সংস্থাগুলোকেও দেওয়া হচ্ছে বড় আর্থিক সুবিধা। সবচেয়ে বড় কথা, গত ১৯ জুন ২০২৬-এ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এই স্কিমের আওতায় প্রায় ২,৪০০ কোটি টাকার তহবিল সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছেন।
🚀 এক নজরে পুরো তথ্য
প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা কী? (What is PM-VBRY)
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের অধীনে থাকা একটি বিশেষ স্কিম, যা পরিচালনা করে ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন’ (EPFO)। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই যোজনার সূচনা।
এই স্কিমের মূল উদ্দেশ্য দুটি:
- দেশের তরুণ প্রজন্ম যখন প্রথমবার কোনো ফর্মাল বা প্রাতিষ্ঠানিক চাকরিতে যোগ দিচ্ছে, তখন তাদের আর্থিক সুরক্ষা ও কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো।
- যে সমস্ত কোম্পানি বা কলকারখানা নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করছে, তাদের আর্থিক বোঝা কিছুটা কমিয়ে নতুন কর্মী নিয়োগে উৎসাহিত করা।
এই স্কিমের বিশেষ ফোকাস ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে, কারণ সেখানে চাকরি সৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি. সরকারি ভাষায় না গিয়ে সহজ করে বললে, এটা এমন একটা স্কিম যেখানে চাকরিপ্রার্থী আর নিয়োগকর্তা—দু’পক্ষই লাভবান হতে পারে।
লেটেস্ট আপডেট আনুযায়ি এই স্কিমটি নিয়ে দেশজুড়ে এখন জোর চর্চা চলছে কারণ গত কয়েকদিনেই এতে বড়সড় কিছু ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে।
- ২,৪০০ কোটি টাকার তহবিল মুক্তি: গত ১৯ জুন ২০২৬ তারিখে নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রকল্পের অধীনে ২,৪০০ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ রিলিজ করেছেন।
- কর্মসংস্থানের নতুন রেকর্ড: সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭০ লাখ নতুন চাকরিজীবী এই স্কিমের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষার (PF ও অন্যান্য সুবিধা) আওতায় এসেছেন। যার মধ্যে প্রায় ৩০% হলেন মহিলা কর্মী।
- টাকা পাওয়ার নতুন মাইলস্টোন: প্রায় ১০ লাখ তরুণ-তরুণী ইতিমধ্যেই চাকরিতে প্রথম ৬ মাস পূর্ণ করে তাদের প্রথম কিস্তির টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেয়ে গেছেন।
এই স্কিমে কারা কত টাকা পাবেন? (Benefits & Financial Assistance)
এই যোজনার সবচেয়ে ইউনিক বিষয় হলো, এখানে সুবিধা শুধু কর্মীরাই পান না, বরং মালিকপক্ষ বা কোম্পানিও পায়। নিচে টেবিলের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করা হলো:
| উপভোক্তার ধরণ (Beneficiary Type) | আর্থিক সুবিধা ও নিয়ম (Benefits) | টাকা পাওয়ার মাধ্যম (Mode) |
|---|---|---|
| প্রথমবার চাকরি পাওয়া কর্মী (Part A) | ১ মাসের বেতনের সমপরিমাণ টাকা (সর্বোচ্চ ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত) দুটি কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তি মিলবে ৬ মাস চাকরি পূর্ণ হলে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ১২ মাস পর। | সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি (DBT)-র মাধ্যমে। |
| সাধারণ নিয়োগকারী সংস্থা (Part B) | প্রতিটি নতুন কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ইনসেনটিভ দেওয়া হবে ২ বছরের জন্য। | কোম্পানির প্যান (PAN) লিঙ্কড অ্যাকাউন্টে। |
| ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন ক্ষেত্র | উৎপাদন খাতের কোম্পানিগুলো কর্মী পিছু এই ৩,০০০ টাকার সুবিধা মোট ৪ বছরের জন্য পাবে। | কোম্পানির প্যান (PAN) লিঙ্কড অ্যাকাউন্টে। |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রথমবার চাকরি পাওয়া কর্মীদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়ার আগে EPFO-এর নির্ধারিত একটি ফ্রি ফাইনান্সিয়াল লিটারেসি (আর্থিক সাক্ষরতা) কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে। এই টাকা সরাসরি কোনো খরচ করার অ্যাকাউন্টে না গিয়ে একটি সেভিংস ইনস্ট্রুমেন্টে জমা হবে, যা ভবিষ্যতের সঞ্চয় বাড়াবে।
প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা ২০২৬ আবেদনের যোগ্যতা
সবাই কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা ২০২৬ এই স্কিমের সুবিধা পাবেন না। সরকারের তরফ থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।
কর্মীদের জন্য যোগ্যতা:
- এই সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীর এটি প্রথম চাকরি হতে হবে এবং সেই চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানটি EPFO-তে রেজিস্টার হতে হবে।
- ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে ৩১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে চাকরিতে যোগ দিয়ে থাকতে হবে।
- ১ আগস্ট ২০২৫-এর আগে কোনো দিনই পিএফ (PF) অ্যাকাউন্ট বা ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (UAN) থাকা চলবে না।
- মাসিক মোট বেতন (Gross Wage) ১,০০,০০০ টাকার নিচে হতে হবে।
- একই সংস্থায় টানা অন্তত ৬ মাস কাজ করতে হবে।
কোম্পানি বা নিয়োগকারী সংস্থার জন্য যোগ্যতা:
- সংস্থাটিকে অবশ্যই EPFO-র আওতাভুক্ত হতে হবে।
- নিজের পুরোনো কর্মীসংখ্যার (Baseline) চেয়ে অতিরিক্ত নতুন কর্মী নিয়োগ করতে হবে।
- যদি কোনো সংস্থায় ৫০ জনের কম কর্মী থাকে, তবে সুবিধা পেতে অন্তত ২ জন নতুন কর্মী নিতে হবে। আর ৫০ জনের বেশি কর্মী থাকলে অন্তত ৫ জন নতুন কর্মী নিয়োগ করতে হবে।
আরও পড়ুন – Yuva Shakti Bharosa Card: মাসে ৩,০০০ টাকা পাওয়ার সুযোগ, কারা আবেদন করবেন?
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Required Documents)
প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা ২০২৬ এ অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করার সময় নিচের এই কাগজগুলো হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন:
- আধার কার্ড: (ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে এবং পিএফ অ্যাকাউন্টের সাথে লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক)।
- ইউএএন (UAN) নম্বর: ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর।
- মোবাইল নম্বর: যা আধারের সাথে যুক্ত আছে (ওটিপি ভেরিফিকেশনের জন্য)।
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস: পাসবুকের কপি বা ক্যানসেলড চেক (DBT-র মাধ্যমে টাকা ঢোকার জন্য)।
- নিয়োগপত্র বা অফার লেটার: চাকরিতে যোগদানের তারিখ প্রমাণের জন্য।
- কোম্পানির ক্ষেত্রে: প্যান কার্ড (PAN) এবং EPFO রেজিস্ট্রেশন কোড।
ধাপে ধাপে আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া (Application Process)
অফিসিয়াল পোর্টাল pmvbry.epfindia.gov.in অথবা pmvbry.labour.gov.in থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের পুরো প্রসেসটি অত্যন্ত সহজ এবং এটি অনলাইনেই করা যায়। নিচে স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি দেওয়া হলো:
UAN জেনারেট ও অ্যাক্টিভেশন
সময় লাগবে ৫ মিনিট
1.UAN জেনারেট ও অ্যাক্টিভেশন:সময় লাগবে ৫ মিনিট.
প্রথমে আপনাকে আপনার কোম্পানির মাধ্যমে অথবা সরাসরি ‘UMANG’ অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেস অথেন্টিকেশন টেকনোলজি (Face Authentication Technology)-র সাহায্যে নিজের একটি নতুন UAN (Universal Account Number) তৈরি ও অ্যাক্টিভেট করতে হবে।
পোর্টাল লগইন ও কেওয়াইসি পূরণ
প্রোফাইল আপডেট
2.পোর্টাল লগইন ও কেওয়াইসি পূরণ:প্রোফাইল আপডেট.
EPFO-র অফিশিয়াল মেম্বার পোর্টালে গিয়ে UAN এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। আপনার প্রোফাইলে গিয়ে আধার এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য (KYC) সঠিকভাবে আপডেট করুন। নিশ্চিত করুন যে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি আধার সীডেড (Aadhar Seeded) আছে।
টানা ৬ মাস চাকরি বজায় রাখা
যোগ্যতা অর্জন
3.টানা ৬ মাস চাকরি বজায় রাখা:যোগ্যতা অর্জন.
এই স্কিমের সুবিধা সক্রিয় করতে আপনাকে একই কোম্পানিতে টানা ৬ মাস কাজ করতে হবে এবং কোম্পানিকে প্রতি মাসে আপনার পিএফ রিটার্ন (ECR) জমা দিতে হবে।
আর্থিক সাক্ষরতা কোর্স ও দ্বিতীয় কিস্তি
১২ মাস পর
4.আর্থিক সাক্ষরতা কোর্স ও দ্বিতীয় কিস্তি:১২ মাস পর.
প্রথম ৬ মাস পর প্রথম কিস্তির টাকা সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে চলে আসবে। এরপর ১২ মাস পূর্ণ হওয়ার আগে EPFO-র পোর্টালে দেওয়া ফ্রি ফাইনান্সিয়াল লিটারেসি কোর্সটি শেষ করুন, যাতে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আপনার সঞ্চয় অ্যাকাউন্টে পাঠানো যায়।
প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা ২০২৬ এর আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাস কীভাবে চেক করবেন?
আপনার আবেদনটি কোন পর্যায়ে আছে তা জানতে EPFO-এর অফিশিয়াল মেম্বার ই-সেবা পোর্টালে (Unified Portal) যান। সেখানে ‘Track Claim Status’ অপশনে ক্লিক করে সহজেই দেখে নিতে পারবেন আপনার ইনসেনটিভের টাকা রিলিজ হয়েছে কি না।
সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
অনেকেরই আবেদন করার পর টাকা আটকে যায়। সাধারণত যে ভুলগুলোর জন্য এটি হয়:
- আধার ও ব্যাঙ্কের নামের অমিল: আধার কার্ডে যে নাম বা বানানের স্পেলিং আছে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও ঠিক সেটাই থাকতে হবে। সামান্য ভুল থাকলে টাকা রিজেক্ট হয়ে যায়।
- ৬ মাসের আগে চাকরি পরিবর্তন: আপনি যদি ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই চাকরি বদলে ফেলেন, তবে প্রথম কিস্তির টাকা পাবেন না। তাই অন্তত ৬ মাস একই সংস্থায় যুক্ত থাকুন।
- মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না থাকা: আধারের সাথে সচল মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না থাকলে ওটিপি (OTP) আসবে না, ফলে ফেস ভেরিফিকেশন আটকে যাবে। অবহেলা না করে এটি আগেই ঠিক করে নিন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
-
প্রধানমন্ত্রী বিকসিত ভারত রোজগার যোজনায় একজন কর্মী সর্বোচ্চ কত টাকা পেতে পারেন?
একজন নতুন চাকরিজীবী কর্মী এই যোজনার অধীনে সর্বোচ্চ ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক ইনসেনটিভ সরাসরি নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেতে পারেন।
-
এই স্কিমের সুবিধা পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ বেতনের সীমা কত?
যেসব কর্মীদের মাসিক মোট গ্রস বেতন ১,০০,০০০ টাকা বা তার কম, কেবল তারাই এই স্কিমের পার্ট-এ (Part A) এর সুবিধা পাবেন।
-
টাকা পাওয়ার জন্য কি আলাদা কোনো ফর্ম ফিলাপ করতে হবে?
না, নতুন কর্মীদের আলাদা কোনো ফর্ম পূরণ করতে হয় না; কোম্পানি যখন EPFO পোর্টালে নতুন কর্মীর ইসিআর (ECR) ফাইল করবে, তখন আধার ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস হয়ে যায়।
-
আমি যদি আগে অন্য কোথাও চাকরি করে থাকি, তবে কি এই সুবিধা পাবো?
না, এই স্কিমটি শুধুমাত্র সেইসব তরুণদের জন্য যারা জীবনে প্রথমবার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ফর্মাল সেক্টরে চাকরি শুরু করছেন এবং যাদের আগে কোনো পিএফ অ্যাকাউন্ট ছিল না।
-
এই যোজনার সুবিধা কতদিন পর্যন্ত পাওয়া যাবে?
১ আগস্ট ২০২৫ থেকে শুরু করে ৩১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে তৈরি হওয়া সমস্ত নতুন চাকরির ক্ষেত্রে এই যোজনার সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
-
নিয়োগকর্তারা কী সুবিধা পান?
নিয়োগকর্তারা নতুন অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা প্রতি মাসে প্রতি কর্মী incentive পেতে পারেন
শেষ কথা
চাকরি খোঁজার সময় এমন সরকারি স্কিম অনেকের জন্য সত্যিই কাজে লাগে, বিশেষ করে যখন প্রথম চাকরিতে ঢোকার খরচ, সঞ্চয় আর formal employment-এর চিন্তা একসঙ্গে থাকে। প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা সেই দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, আর ২০২৬ সালের জুনের সর্বশেষ সরকারি আপডেট বলছে স্কিমটি এখন বাস্তব পর্যায়ে বড় পরিসরে চলেছে।









