Join WhatsApp

Join Now

Follow On Facebook

Follow

₹৫০ লক্ষ পর্যন্ত ব্যবসায়িক ঋণ, সঙ্গে সরকারি ভর্তুকি! PMEGP Scheme -এর সম্পূর্ণ গাইড

By Admin

Published on:

PMEGP Scheme 2026 - ₹৫০ লক্ষ পর্যন্ত ঋণ ও ৩৫% সরকারি ভর্তুকি

নিজের একটা ব্যবসা শুরু করার স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু পুঁজি নেই বলে এগোতে পারছেন না? এই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে কেন্দ্র সরকারের PMEGP Scheme বা প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃজন কর্মসূচি (Prime Minister’s Employment Generation Programme) ।এই প্রকল্পে ব্যাংক ঋণের (Bank Loan) পাশাপাশি সরকার ১৫% থেকে ৩৫% পর্যন্ত মার্জিন মানি (সাবসিডি) দেয়, ফলে নিজের উদ্যোগ শুরু করা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্র সরকার PMEGP PMEGP Scheme -কে আরও কার্যকর করার দিকে জোর দিয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৬৬,৪৯৪টি নতুন ইউনিট স্থাপনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, পাশাপাশি ছোট প্রকল্পগুলিকে অগ্রাধিকার, ₹১০ লক্ষ পর্যন্ত ঋণে জামানত না নেওয়ার নিয়ম এবং নতুন ডিজাইনের PMEGP Portal 2.0 চালু হয়েছে। এছাড়া MSME মন্ত্রক জানিয়েছে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এই প্রকল্পে আবেদন ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হচ্ছে।

আপনি যদি নতুন ব্যবসা, উৎপাদন ইউনিট বা সার্ভিস সেক্টরে কাজ শুরু করতে চান, তাহলে এই স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা জরুরি।

PMEGP Scheme (Prime Minister’s Employment Generation Programme) কী?

Prime Minister’s Employment Generation Programme (PMEGP) হল কেন্দ্র সরকারের একটি Credit Linked Subsidy Scheme। এটি পরিচালনা করে Micro, Small and Medium Enterprises (MSME) মন্ত্রক, আর জাতীয় স্তরে বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে Khadi and Village Industries Commission (KVIC)। রাজ্য স্তরে KVIB, District Industries Centre (DIC) এবং বিভিন্ন ব্যাংক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো—

  • বেকার যুবক-যুবতীদের স্বনিযুক্ত করা।
  • নতুন মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ গড়ে তোলা।
  • গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
  • প্রথম প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা করা।

PMEGP Scheme -এর মাধ্যমে সরকার সরাসরি টাকা দেয় না। প্রথমে ব্যাংক প্রকল্পের জন্য ঋণ অনুমোদন করে, তারপর সরকার নির্ধারিত হারে Margin Money Subsidy প্রদান করে।

PMEGP Scheme 2026: সর্বশেষ আপডেট ও নতুন নিয়ম

২০২৬ সালে PMEGP Scheme নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিবর্তন সামনে এসেছে।

১. ছোট প্রকল্পকে বেশি অগ্রাধিকার

MSME মন্ত্রক জানিয়েছে, ₹১০ লক্ষের কম প্রকল্পগুলিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে যাতে বেশি সংখ্যক নতুন উদ্যোক্তা এই স্কিমের সুবিধা পান।

২. ₹১০ লক্ষ পর্যন্ত ঋণে জামানত লাগবে না

Reserve Bank of India (RBI)-এর নির্দেশ অনুযায়ী ₹১০ লক্ষ পর্যন্ত PMEGP Scheme ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক জামানত (Collateral Security) চাইতে পারবে না।

৩. শিক্ষাগত যোগ্যতায় বড় সুবিধা

নিচের ক্ষেত্রে কোনও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন নেই

  • উৎপাদন প্রকল্পে ₹১০ লক্ষ পর্যন্ত
  • সার্ভিস প্রকল্পে ₹৫ লক্ষ পর্যন্ত

এর বেশি প্রকল্প হলে সাধারণত অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হয়।

৪. নতুন PMEGP Portal 2.0 চালু

KVIC সম্প্রতি আরও উন্নত PMEGP Portal 2.0 চালু করেছে। নতুন পোর্টালে আবেদন, ডকুমেন্ট আপলোড, ট্র্যাকিং এবং অন্যান্য পরিষেবা আগের তুলনায় সহজ হয়েছে।

৫. বাজেট বৃদ্ধি:

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য এই স্কিমে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪,৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ২,৯৫৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এবার আরও বেশি সংখ্যক মানুষ এই লোনের সুবিধা পাবেন।

৬. দ্বিতীয় দফার লোন (Upgradation Loan):

যারা আগে PMEGP Scheme -র অধীনে লোন নিয়ে সফলভাবে ৩ বছর ধরে ব্যবসা চালাচ্ছেন এবং সময়মতো লোন শোধ করেছেন, তারা ব্যবসা বাড়ানোর জন্য এখন ২য় দফায় ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা এবং সার্ভিস সেক্টরের জন্য ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আপগ্রেডেশন লোনের আবেদন করতে পারবেন। যেখানে ১৫% থেকে ২০% পর্যন্ত সাবসিডি পাওয়া যাবে।

৭. কোল্যাটারাল ফ্রি গ্যারান্টি:

CGTMSE (Credit Guarantee Fund Trust for Micro and Small Enterprises) এর মাধ্যমে এখন এই লোনের জন্য কোনো থার্ড পার্টি গ্যারান্টি বা অতিরিক্ত সম্পত্তি (Collateral) ব্যাংকে বন্ধক রাখতে হয় না।

আরও পড়ুন – নতুন চাকরিতে যোগ দিলেই সরকার থেকে পাবেন ১৫০০০ টাকা। বিস্তারিত দেখুন।

PMEGP Scheme -এর সুবিধা ও আর্থিক সহায়তা

এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সরকার প্রকল্পের একটি অংশ Margin Money Subsidy হিসেবে প্রদান করে।

বিষয়বিস্তারিত
প্রকল্পের ধরনউৎপাদন (Manufacturing) ও পরিষেবা (Service)
উৎপাদন প্রকল্পসর্বোচ্চ ₹৫০ লক্ষ
সার্ভিস প্রকল্পসর্বোচ্চ ₹২০ লক্ষ
আবেদনকারীর নিজস্ব অংশGeneral – ১০%, Special Category – ৫%
সরকারি ভর্তুকি১৫% থেকে ৩৫%

ভর্তুকির হার

আবেদনকারীশহরগ্রাম
General Category১৫%২৫%
Special Category২৫%৩৫%

উদাহরণ: আপনি যদি একজন মহিলা হন এবং গ্রামে ১০ লক্ষ টাকার একটি প্রজেক্ট শুরু করেন, তবে আপনাকে নিজের থেকে দিতে হবে মাত্র ৫০,০০০ টাকা (৫%)। বাকি সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্ক লোন দেবে এবং তার মধ্যে ৩.৫ লক্ষ টাকা (৩৫%) সরকার ভরতুকি হিসেবে শোধ করে দেবে।

Special Category-এর মধ্যে রয়েছেন—

  • মহিলা
  • SC
  • ST
  • OBC
  • সংখ্যালঘু
  • প্রাক্তন সেনাকর্মী
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা

আরও দেখুন – CMERI দুর্গাপুরে পার্মানেন্ট পদে নিয়োগ, বিস্তারিত দেখুন।

PMEGP Scheme -এর জন্য যোগ্যতা (Eligibility Criteria)

এই স্কিমে আবেদন করার আগে দেখে নিন আপনি যোগ্য কিনা।

আবেদন করতে পারবেন যদি—

  • ভারতের নাগরিক হন।
  • বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর।
  • নতুন ব্যবসা শুরু করতে চান।
  • উৎপাদন বা সার্ভিস সেক্টরে নতুন ইউনিট গড়তে চান।
  • প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ হন।
  • পূর্বে একই প্রকল্পে সরকারি ভর্তুকি না নিয়ে থাকেন।

আবেদন করতে পারবেন না যদি—

  • পুরনো ব্যবসার জন্য একই সুবিধা দাবি করেন (যেখানে নিয়ম প্রযোজ্য নয়)।
  • একই প্রকল্পে আগে সরকারি সাবসিডি নিয়ে থাকেন।
  • স্কিমের নেগেটিভ লিস্টে থাকা কার্যকলাপের জন্য আবেদন করেন।

PMEGP Scheme মূলত প্রথমবার ব্যবসা শুরু করতে ইচ্ছুক উদ্যোক্তাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। তাই আবেদন করার আগে প্রকল্প রিপোর্ট এবং ব্যবসার পরিকল্পনা ভালোভাবে তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (Required Documents)

PMEGP Scheme -এ আবেদন করার আগে সব নথি স্ক্যান করে (সাধারণত PDF/JPG) প্রস্তুত রাখুন। এতে আবেদন করার সময় কোনো সমস্যা হবে না।

ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র

  • ✅ আধার কার্ড (Aadhaar Card)
  • ✅ PAN Card
  • ✅ ভোটার আইডি/ড্রাইভিং লাইসেন্স (প্রয়োজনে)
  • ✅ সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি

শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ

  • অষ্টম শ্রেণি বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য হয়)

ব্যবসা সংক্রান্ত নথি

  • বিস্তারিত Project Report (DPR)
  • ব্যবসার সম্ভাব্য খরচ ও আয়ের হিসাব
  • মেশিনারি বা সরঞ্জামের কোটেশন (যদি থাকে)

বিশেষ ক্যাটাগরির আবেদনকারীদের জন্য

  • SC/ST/OBC Certificate
  • Minority Certificate (যদি প্রযোজ্য)
  • Disability Certificate
  • Ex-serviceman Certificate
  • Rural Area Certificate (গ্রামীণ ভর্তুকি দাবি করলে)

পরামর্শ: Project Report যত ভালোভাবে তৈরি করবেন, ব্যাংক থেকে ঋণ অনুমোদনের সম্ভাবনাও তত বাড়বে।

PMEGP Scheme-এ অনলাইনে আবেদন করার ধাপ

বর্তমানে আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা যায়। আবেদন গ্রহণ করা হয় KVIC-এর PMEGP Portal 2.0-এর মাধ্যমে।

ধাপ ১: অফিসিয়াল পোর্টালে যান

PMEGP Portal-এ গিয়ে Individual Application নির্বাচন করুন।

ধাপ ২: নতুন রেজিস্ট্রেশন করুন

নাম, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল, আধার নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।

ধাপ ৩: আবেদন ফর্ম পূরণ করুন

ফর্মে নিচের তথ্য দিতে হবে—

  • ব্যক্তিগত তথ্য
  • ঠিকানা
  • ব্যবসার ধরন
  • প্রকল্পের খরচ
  • ব্যাংকের নাম
  • Implementing Agency (KVIC/KVIB/DIC)

ধাপ ৪: ডকুমেন্ট আপলোড করুন

সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি নির্ধারিত ফরম্যাটে আপলোড করুন।

ধাপ ৫: আবেদন জমা দিন

সব তথ্য যাচাই করে আবেদন সাবমিট করুন। সাবমিট করার পরে একটি Application ID পাবেন। এটি অবশ্যই সংরক্ষণ করুন।

ধাপ ৬: ব্যাংক যাচাই

আপনার আবেদন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠানো হবে। ব্যাংক প্রকল্প রিপোর্ট ও অন্যান্য নথি যাচাই করবে।

ধাপ ৭: EDP Training

অনেক ক্ষেত্রে ঋণ অনুমোদনের আগে বা পরে Entrepreneurship Development Programme (EDP) প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হয়।

ধাপ ৮: ঋণ অনুমোদন ও ভর্তুকি

ব্যাংক ঋণ অনুমোদনের পর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সরকার Margin Money Subsidy প্রদান করে।

আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করার উপায় (How to Check PMEGP Scheme Application Status)

আবেদন করার পর আপনার ফাইলটি কতদূর এগলো তা ঘরে বসেই ট্র্যাক করতে পারবেন। KVIC পোর্টালে গিয়ে “Login for Applicant” অপশনে ক্লিক করুন। আপনার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ড্যাশবোর্ডে ঢুকলেই দেখতে পাবেন আপনার আবেদনটি বর্তমানে DIC, KVIC নাকি ব্যাংকের স্তরে স্ক্রুটিনি বা যাচাইকরণের জন্য আটকে রয়েছে।

KVIC পোর্টাল লিঙ্কঃ এখানে ক্লিক করুন
PMEGP Portal 2.0 পোর্টাল লিঙ্কঃ এখানে ক্লিক করুন

সাধারণ কিছু ভুল ও তার সমাধান (Common Problems & Solutions)

অনেকেরই PMEGP লোন রিজেক্ট বা বাতিল হয়ে যায় কিছু ছোটখাটো ভুলের কারণে। সেগুলো এড়িয়ে চলার উপায় জেনে নিন:

  • ভুল প্রজেক্ট রিপোর্ট (DPR): সবচেয়ে বেশি আবেদন বাতিল হয় দুর্বল প্রজেক্ট রিপোর্টের জন্য। ব্যবসার খরচ ও লাভ বাস্তবসম্মত না হলে ব্যাংক লোন দিতে চায় না। প্রয়োজনে কোনো ভালো অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিয়ে একটি নিখুঁত DPR তৈরি করুন।
  • এলাকা নির্বাচনে ভুল: আপনি যেখানে ব্যবসাটি বসাবেন, সেই জায়গাটি যদি রাজস্ব রেকর্ডে (Revenue Records) গ্রাম হিসেবে রেজিস্টার্ড না থাকে, অথচ আপনি ৩৫% গ্রামীণ সাবসিডি সিলেক্ট করেন, তবে আবেদন বাতিল হবে। স্থানীয় পঞ্চায়েত বা পুরসভা থেকে এলাকার সঠিক স্ট্যাটাস জেনে ফর্ম পূরণ করুন।
  • EDP ট্রেনিং না করা: লোন স্যাঙ্কশন হওয়ার পর এবং টাকা রিলিজ হওয়ার আগে উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ বা EDP Training নেওয়া বাধ্যতামূলক। আজকাল এটি অনলাইনেই করা যায়। এই ট্রেনিং শেষ না করলে সাবসিডি বা মার্জিন মানির টাকা আটকে যাবে।

PMEGP Scheme Frequently Asked Questions (FAQ)

১. PMEGP-তে সর্বোচ্চ কত ভর্তুকি পাওয়া যায়?

গ্রামীণ এলাকার বিশেষ ক্যাটাগরির আবেদনকারীরা সর্বোচ্চ ৩৫% পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারেন।

২. এই স্কিমে কি জামানত লাগে?

না, নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে প্রকল্প খরচের জন্য কোনো কোলেটেরাল সিকিউরিটি লাগে না।

৩. একই পরিবারের দুজন কি আলাদা প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন?

সাধারণত একই পরিবার থেকে একাধিক আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, তবে ভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে DIC-তে খোঁজ নেওয়া ভালো।

৪. আবেদন প্রসেসিং হতে কত সময় লাগে?

সাধারণত ভেরিফিকেশন ও ব্যাংক অনুমোদন মিলিয়ে ২-৩ মাস সময় লাগে, তবে নতুন ভেরিফিকেশন নিয়মের কারণে এটা কিছুটা বাড়তে পারে ।

৫. স্কিমে আয়ের কোনো ঊর্ধ্বসীমা আছে কি?

না, PMEGP-তে আবেদনকারীর পারিবারিক আয়ের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারিত নেই ।

৬. PMEGP-এ আবেদন করার শেষ তারিখ আছে কি?

না। বর্তমানে PMEGP-এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো শেষ তারিখ নেই। সারা বছর আবেদন করা যায়, তবে প্রকল্পের লক্ষ্য (Target) পূরণ হওয়ার আগে আবেদন করলে অনুমোদনের সম্ভাবনা বেশি।

নিজের ব্যবসা শুরু করার স্বপ্ন থাকলে Prime Minister’s Employment Generation Programme (PMEGP Scheme) বর্তমানে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সহায়তা প্রকল্প। সঠিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, পূর্ণাঙ্গ Project Report এবং নির্ভুল ডকুমেন্ট জমা দিলে ব্যাংক ঋণ ও সরকারি ভর্তুকি পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বাড়ে।

আবেদন করার আগে অবশ্যই অফিসিয়াল PMEGP পোর্টালের সর্বশেষ নির্দেশিকা পড়ে নিন এবং শুধুমাত্র সরকারি ও অনুমোদিত সংস্থার তথ্য অনুসরণ করুন। এতে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো যাবে।

Leave a Comment